বরিশালে বেপরয়া জমির দালাল সিন্ডিকেট!

Spread the love

:বরিশাল নগরী পলাশপুর ৫ নং ওয়ার্ড মোহাম্মদপুর এলাকায় ক্রমশ’ই বেড়ে চলছে জমির দালার সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেটে পা’দিয়ে নিশ্ব হয়ে যাচ্ছে অসংখ্য পরিবার। অভিযোগ রয়েছে সিন্ডিকেটের মুল হোতা কাজীর গোরস্থান রোড এলাকার আব্দুল কাশেম হাওলাদারের ছেলে মো: চান মিয়া ও মৃত লতিফ খানের ছেলে মো: মানিক মিয়া।

আর তাদের সহোযগী হিসেবে রয়েছেন- একই এলাকার বাদশা হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার ও পাশ্ববর্তী এলাকার মানিক খান। স্থানীয়রা জানিয়েছেন – এলাকার নতুন কেউ জমি কিনতে আসলেই প্রথমে তাদেরকে টোপ ফেলে দালাল সুমন ও মানিক খান। আর তাদের যোগসাজসে ভুয়া জমির মালিক সাজেন চাঁন মিয়া ও মনির হাওলাদার। পরে সুযোগ বুঝে জমির ক্রেতাকে দেওয়া হয় জাল দলিল। বিনিময়ে নেওয়া হয় জমির প্রকৃত মূল্যের চেয়ে ২/৩ গুন বেশি টাকা।

তবে কিছুদিন পরে যখন ক্রেতারা জানতে পারেন তারা প্রতারনার শিকার হয়েছেন, ততদিনে লাপাত্তা হয়ে যায় এই চার দালাল সিন্ডিকেট। যার’ই ধারাবাহিকতায় এবার সেই চার প্রতারকের খপ্পরে পা দিয়েছেন কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর মোহাম্মপুর এলাকার তৈহিদুল ইসলামের স্ত্রী মুকুল বেগম।

ভুক্তভুগী মুকুল বেগমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানাযায়- গত বছরের ৩জুন একটি জমি ক্রয় করার জন্য বায়না চুক্তি বাবদ প্রায় ৩লক্ষ টাকা নেয় দালাল চাঁন মিয়া, মনির হাওলাদার, সুমন হাওলাদার ও মানিক খান। তবে কিছুদিন পর মুকুল বেগম জানতে পারে যে জমির দলিলটি ভুয়া। পরে কাউনিয়া থানায় শালিসির মাধ্যমে ৩১ আগস্ট তাৎক্ষনিক ৩৫ হাজার টাকা নগদ দিলেও বেশ কয়েকবার তাগেদা দেওয়া হলেও বাকি টাকা নিয়ে এখন নয়-ছয় শুরু করেছেন ঐ দালাল চক্রটি।

যার ফলে মুকুল বেগমের পরিবারটি আজ হুমকির মুখে দারিয়েছে বলে জানাযায়। বিষয়টি নিয়ে ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: কেফায়েত হোসেন রনি’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করেন। ভুক্তভুগি পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবী অতিদ্রুত যেন এই দালার চক্রটির ব্যাপারে যথাযথ কতৃপক্ষ নজর দিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেয়।

Leave a Comment