বরিশালে বাল্যবিবাহ-র বিরুদ্ধে লড়ছে পুলিশ! টাকার বিনেময়ে বিয়ে পড়াচ্ছে উকিল

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট:

নগরীর মহাম্মদপুরে বাল্যবিবাহে কাউন্সিল উপস্থিত থাকেননি গোপনে বিবাহ পড়িয়েছেন এ্যাডভোকেট কাজী মনিরুল ইসলাম। দেশে বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বাল্যবিবাহের প্রতিরোধে জনসচেতনাতা তৈরি করে দিনের পর দিন মানববন্ধন চালিয়ে যাচ্ছে। তবে টাকা লোভী কিছু উকিলেরা গোপনে বাল্যবিবাহ পরানো চালিয়ে যাচ্ছে।

গতকাল এমনি ঘটনা ঘটছে নগরীর মহাম্মদপুর এলাকার মালেক জোমাদ্দারের ছেলে রাকিব জোমাদ্দার (১৬) কে একই স্থানের ভাড়াটিয়া শহিদ হাওলাদারের মেয়ে সারমিন (১৪) কে মোকাম বরিশাল নোটারী পাবলিক আদালতে গোপনে হাজির করিয়ে উকিল কাজী মনিরুল ইসলাম বাল্যবিবাহ পড়াইছেন। তবে উকিল কাজী মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহ পড়ানোর অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ব্যাপারে কাজী মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে আসছে আমরা নোটারী পাবলিকের মাধ্যেমে বিবাহ পড়িয়ে দিয়েছি। উভয়ের বয়সের বিষয়ে উকিল বলেন, আমাদের কাছে জম্ম সনদ এনেছে তাতে তাদের বয়স হয়েছে তাই বিবাহ পরিয়ে দিয়েছি। তাদরে বয়স হয়েছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করবে প্রশাসন।

তিনি আরো বলেন, বাল্যবিবাহ বন্ধের বিষয়ে কাজ করে জেলা প্রশাসনসহ অনেক অঙ্গ সংঘঠন কেউ ফিড়াতে পারেনি আর পারবেও না। খামাখা বাল্যবিবাহ পড়াতে কেউ আসলে আমরা তা ফিড়াই না বিবাহ পরিয়ে দেই। বাল্যবিবাহে এক মত পোষন করেন উকিল কাজী মনিরুল ইসলাম। দেশে বাল্যবিবাহ বেশি ভাগ উকিলের সহযোগীতায় হয়। অনুসন্ধান কালে দেখা যায়, বাল্যবিবাহ নিরসন ও প্রতিরোধের কার্যক্রমগুলো সামাজিক মনোভাব ও পরিস্থিতি বাধ্যবাধকতার কাছে হার মানছে। বিয়ের অবাধ কারচুপি, কৌশাল এবং বিয়ে টিকে থাকা সমস্যাটি জিইয়ে রাখছে। বাল্যবিবাহ ঠেকাতে সরকার নতুন করে আইন করছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধও কিন্তু বাড়ছে। তার পরেও আইনি লোকেরা বেইনি কাজ করে যাচ্ছে। টাকা লোভী উকিলদের কারনে সরকার এই বাধাগুলো দূর করতে পারছে না ! একধিকে বাল্যবিবাহ বন্ধের স্লোগান অন্য দিকে উকিলদের গোপনে বিয়ের আয়োজন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Comment