বরিশালে অতিরিক্ত দামে মাস্ক বিক্রি করায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও লিফলেট বিতরণ।

Spread the love

বরিশাল নগরীতে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে নগরীর সদর রোডের শাহিন কমপ্লেক্সে মেডি সান সার্জিক্যাল এন্ড সায়েন্টিফিকে অভিযান চালায়। শনিবার সকাল থেকে সেখানে মাস্কের দাম বেশী রাখার প্রমাণ পাওয়ায় মেডিসান সার্জিক্যাল এন্ড সাইন্টিফিক দোকানের মালিককে ১০ হাজার টাকা পরে নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকায় খুশবু স্টেশনারি দোকানে ৫ হাজার টাকা এবং চৌমাথা এলাকায় বুক পয়েন্ট নামক দোকানে ৫ হাজার টাকা অধিক মূল্যে মাস্ক বিক্রয় করার অপরাধে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। জরিমানা করার পাশাপাশি তাদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এহেনু অপরাধ পরিহার করার জন্য পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত গণসচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এদিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার সরকারি নির্দেশ অমান্য করে লোকালয় ঘোরাফেরা করছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ২ জন বিদেশ ফেরত ব্যক্তির খোঁজ খবর নিয়ে এবং তাদের সাথে এ তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বিদেশ ফেরত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা হোম কোয়ারেন্টাইনে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলছেন। এসময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত গণসচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করেন। মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মোঃ জিয়াউর রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক প্রসেকিউটিং অফিসার মোঃ জাকির হোসেন আজাদ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম। এদিকে অপর একটি মোবাইল কোর্ট টিম বরিশাল জেলা প্রশাসন এস, এম, অজিয়র রহমানের নির্দেশে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাজার মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করা হয়। নগরীর বাজার রোডস্থ পিয়াজ, চাল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে এবং সদর রোডস্থ ওষুধের দোকানে বাজার মনিটরিংয়ে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন বরিশালের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম। অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রয়কারী দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মূল্য তালিকা না থাকা এবং অধিক দামে পণ্য তেলের দাম বেশি রাখার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারা মোতাবেক বাংলাদেশ অয়েল মিল কে ১৫ হাজার টাকা এবং পণ্যের মূল্য তালিকা না থাকায় একই আইনের ৩৮ ধারা মোতাবেক মেসার্স মনমোহন রায় নামক গ্রোসারি দোকানে ১০ হাজার টাকা এবং একটি ওষুধের বেশি দাম রাখার অপরাধে সদর রোডস্থ ওষুধের দোকান মা মেডিসিন কর্ণার কে একই আইনের ৪০ ধারায় ১০ হাজার টাকাসহ ৩ টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি চলমান করোনাভাইরাস সংক্রান্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ

Leave a Comment