ফারজানাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন।

Spread the love

ফারজানাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন।

কলেজ ছাত্রী ফারজানা ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে ২১/০৬/২০১৯ইং শুক্রবার সকাল ৯ টায়
বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে, উক্ত মানববন্ধনে অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন।
১/ ফারজানাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আশিক খান।
২/ আলমগীর হোসেন হাওলাদার।
৩/ মোঃ জাকির হোসেন।
৪/ আল আমিন।
৫/ মোঃ মোহন।
৬/ লোকমান জোমাদ্দার।
৭/ ফারুক জোমাদ্দার।
৮/ জাহিদুল আলম ওয়াসিম মল্লিক। 
৯/ মিজানুর রহমান স্বাধীন সহ বাকেরগঞ্জ এলাকার জনগণ। বক্তারা বলেন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল, মাদক নির্মূলে সরকারের শক্তিশালী ব্যবস্থা পারে এধরনের ধর্ষণের ঘটনা কমিয়ে আনতে। আজ ধর্ষণ হত্যাসহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ বাসি যেভাবে এক হয়েছে এইভাবে গোটা বাংলাদেশের জনগণ এক হলে এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে আর হবে না বলে মনে করেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন অপরাধীদের গ্রেফতারে প্রশাসনের ধীরগতি জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করছে, প্রশাসন যদি অপরাধীদের পিতা-মাতা পরিজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহলে অতি দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন। বক্তারা আরো বলেন এ ধরনের ঘটনা যদি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করে অপরাধীদের কঠিন শাস্তি দেয়া হয় তাহলে পরবর্তীতে অপরাধীরা এ ধরনের অপরাধ করতে উৎসাহিত হবে না।

প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থাকে ম্যানেজ করে অপরাধীরা বারবার মুক্ত হওয়ার কারণে একের পর এক অপরাধের ঘটনা বেড়েই চলেছে।এ ধরনের অপরাধ বন্ধে যুগোপযোগী আইন ও তার সঠিক সময়ে সঠিক প্রয়োগ জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন।

উক্ত মানববন্ধনে বরিশাল জেলা ও বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাজধানীতে বসবাসকারী সর্বস্তরের জনগণ সহ সচেতন নাগরিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার গারুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব রবিপুর গ্রামে প্রেমের টানে ঘর ছাড়তে গিয়ে ১২ই জুন ২০১৯ইং প্রেমিকের বন্ধুদের গণধর্ষণের শিকার (১৭) বছরের তরুণীর বিষপানে মৃত্যু।
ধর্ষণের শিকার ফারজানার পরিবারের লোকজন ফারজানা কে দেখতে না পেয়ে সারা রাত আসে পাশের বাড়িতে খুজতে থাকে। অবশেষে সকাল ৬টার দিকে মিয়া বাড়ির সামনে মেয়েকে বসে থাকতে দেখতে পায় ফারজানার বাবা সালাম ফরাজী, ফারজানা কে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে যায় ফারজানার বাবা সালাম ফরাজী। বাসায় গিয়ে ফারজানা বাবা-মা কে ঘটনা খুলে বলেন, ফারজানা বলেন একদল বখাটে মিলে ফারজানাকে একটি ঘরে আটকে রেখে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে এবং এই ধর্ষণকারীদের মধ্যে ফারজানার ঘনিষ্ঠজনরাও রয়েছে বলেও জানা যায়।

লজ্জায় ঘৃণায় বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ফারজানা আক্তার। ফারজানাকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন প্রথমে বাকেরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ফারজানার অবস্থা গুরুতর দেখে ডাক্তার বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ১৬ই জুন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কলেজ ছাত্রী ফারজানা মারা যায়।

মৃত্যুর আগে ফারজানা যে ৬ জন ধর্ষণকারীর নাম বলে গেছে, ১/আব্দুর রবের পুত্র মোঃ তরিকুল ইসলাম, ২/সাওন গাজী, ৩/মোজাম্মেল ফরাজীর ছেলে সাওন ফরাজী, ৪/আব্দুস ছত্তারের ছেলে জোবায়ের, ৫/হুমায়নের ছেলে রাসেদ, ৬/আব্দুল মতিনের ছেলে রাজীব পালাক্রমে ফারজানা কে ধর্ষন করেন।

Leave a Comment