পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তুষখালী কলেজে সন্ত্রাসী হামলা নৈশপ্রহরীকে কুপিয়ে জখম / গাড়ী ও আসবারপত্র ভাংচুর

Spread the love

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী কলেজে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে কলেজের নৈশপ্রহরী খাইরুল ফরাজীকে কুপিয়ে জখম করেছে। এ সময় হামলাকারীরা কলেজের মোটর সাইকেল, গাড়ী, ডিজিটাল নিয়ন সাইনবোর্ড ও আসবারপত্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর করেছে। শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাত ১০ টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, রড নিয়ে একদল সন্ত্রাসী তুষখালী কলেজে ঢুকে কলেজ ক্যাম্পাসে থাকা গাড়ী ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাংচুর করা শুরু করে। এ সময় কলেজে দায়িত্বে থাকা নৈশপ্রহরী (নাইটগার্ড) খাইরুল ফরাজী বাঁধা দিলে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলাকারীরা কলেজের একটি ট্রাক, একটি বাস, মোটর সাইকেল ও রাস্তার একটি মাহেন্দ্র গাড়ী ভাংচুর করে। কলেজ সূত্র জানায়, তুষখালী কলেজটি এবার এমপিওভুক্ত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পিরোজপুর জেলা ষ্টেডিয়ামে পুলিশ সুপার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় মঠবাড়িয়া উপজেলা দল। এ খেলায় পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ একাদশের সাথে তারা পরাজিত হয়ে ফেরার পথে একটি গ্রুপ কলেজে হামলা চালায়। উল্লেখ্য, পিরোজপুরে অনুষ্ঠিত পুলিশ সুপার ফুটবল টুর্নামেন্টে জেলার ৭টি উপজেলা অংশ নেয়। বুধবার অনুষ্ঠিত সেমিফাইনাল খেলায় মঠবাড়িয়া উপজেলার প্রতিপক্ষ ছিল ভান্ডারিয়া উপজেলা দল। খেলায় মঠবাড়িয়া উপজেলা বিজয়ী হয়। তবে শুক্রবার ফাইনার খেলায় ভান্ডারিয়া উপজেলা পিরোজপুর সদর উপজেলা দলকে সমর্থন দেয় এবং মাঠে বাদকদলসহ ভান্ডারিয়া উপজেলার কয়েক শত দর্শক উপস্থিত হন। আর এতে ক্ষুব্দ হয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত মঠবাড়িয়া উপজেলায় অবস্থিত তুষখালী কলেজে হামলা চালানো হয়।
তুষখালী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম জানান, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাবেক ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যানের লোকজন কলেজে হামলা চালিয়েছে। এ হামলা পরিকল্পিত।

Leave a Comment