পলাশবাড়ীতে ইয়াবা হেরোইনের ভয়াবহতা বৃদ্ধি!!উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল

Spread the love

পলাশবাড়ীতে ইয়াবা হেরোইনের ভয়াবহতা বৃদ্ধি!!উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল

সিরাজুল ইসলাম রতন গাইবান্ধা থেকে:—-একটি সময় পুলিশের তালিকায় উত্তরাঞ্চলের শ্রেষ্ট হেরোইন ব্যাবসার স্পট হিসেবে পরিচিত হয়েছিল গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউপির রাইগ্রাম।হেরোইন সম্রাট হয়ে উত্তরবঙ্গে পরিচিতি অর্জন করেছিল সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর জব্বার।জব্বারের মৃত্যুর পড় তার ভাই খাজের আলী, জোব্বারের স্ত্রী, ছেলে রাজু সহ পরিবারের অনেকেই এই মাদক ব্যাবসায় জরিয়ে পড়েছিল।

পলাশবাড়ী থানা পুলিশ,ডিবি পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা ও একের পর এক অভিযান পরিচালনা করার ফলে রাইগ্রামের প্রায় সকল মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে।এ পর্যন্ত শুধু মাত্র রাইগ্রামে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে কোটি কোটি টাকার হেরোইন সহ ৫ শতাধিক মাদক সেবনকারী ও ব্যাবসায়ী গ্রেফতার করে।এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হয় প্রায় ২ শতাধিক মামলা ও দায়ের করা হয়।এতে ও মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন না হওয়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রাইগ্রাম এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি হয়।

বর্তমানে এলাকাবাসীর সচেতনতা ও প্রশাসনিক তৎপড়তায় রাইগ্রাম এখন অনেকটা মাদক শুন্য হয়ে পড়েছে।

রাইগ্রামের মাদকের স্থান এখন দখল করেছে গোটা পৌর এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

সন্ধা হলেই পুলিশের চোখ ফাকি দিয়ে, উপজেলা পরিষদের ভিতর, গাইবান্ধা বাসষ্ঠান্ড,মহদীপুর হিন্দু পাড়া,হাসপাতাল মোড়,রাইলমিল মোড়,রংপুর, বগুড়া বাসষ্ঠান্ড, তিন মাথা মোড়,জামালপুর আমতলা, বোর্ডের ঘড়,কলেজ মোড় ছারা ও খাদ্য গুদামের পিছনে চলে মরন নেশা ইয়াবার পাইকারী ও খুচড়া ব্যাবসা।এলাকার কতিপয় মহিলা, স্কুল কলেজগামী ছাত্র থেকে শুরু করে অনেকেই এই ইয়াবা ব্যাবসায় জড়িয়ে পড়েছে।এমনকি ছোট্র শিশুদের হাতে তুলে দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে মরন নেশা ইয়াবা।

সারারাত এরা গ্রামের অলি গলি ও পাথারে দারিয়ে মরন নেশা ইয়াবার হাত বদল করে।

এলাকার চিহ্নিত কয়েকটি বাড়ীতে সারারাত চলে ইয়াবা সেবন।সন্ধা হলেই ইয়াবার ধোয়ায় এলাকার আকাশ বাতাস ভাড়ি হয়ে যায়।ইয়াবা ব্যাবসা করে অনেকেই এখন জিরো থেকে হিরো বনে গেছেন।

নেশার টাকা যোগাতে অনেক ওঠতি বয়ষের যুবকেরা চুড়ি ছিনতাইয়ের মত অপরাধে জরিয়ে পরছে।

এদের কৌশলের কাছে পুলিশ অনেকটাই অসহায় রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে একদল পুলিশের গতিবিধি লক্ষ করে অন্যদল ইয়াবা হাত বদল করে।

সম্প্রতি পুলিশ এদের কয়েক জনকে গ্রেফতার করলে ও অনেকেই রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।অনেকে আবার জেল থেকে বেড়িয়ে দু একজন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলে ও অনেকেই সম্পুর্ন ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে দিব্যি ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছেন।এক একটি পেশার আড়ালে রেখেছেন মাদক ব্যবসা।দৃষ্টি নন্দন,বাইক ও প্রাইভেট কার নিয়ে এরা দিব্যি প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়ে চলাফেরা করছেন।

এলাকার সচেতন অভিভাবক মহল তাদের স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের নিয়ে অনেকটা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

মাদকের অধিক অপব্যাবহার রোধে সচেতন অভিভাবক মহল থানার অফিসার ইনচার্জ ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল,ডিবি ও র‍্যাব এর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কিভাবে চিটাগাং থেকে আসছে ইয়াবা দেখতে চোখ রাখুন??

Leave a Comment