পটুয়াখালী লাউকাঠীতে জমি জমার জের ধরে দুই-গ্রুপে সংঘর্ষ বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর থানায় মামলা প্রতিনিধি

Spread the love

সদর উপজেলা লাউকাঠী ইউনিয়নে ৭ নং ওয়ার্ড জামুরা গ্রামস্থ ১৪ ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল আনুমানিক ১০.৩০ মিনিটের সময় ঘটনাটি ঘটে।
অনুসন্ধানে জানাগেছে, শরীফ বাড়ির ফোরকান শরীফ, পিতাঃ মৃত রশিদ শরীফ এবং সিদ্দিক মৃধা ও জাহাঙ্গীর মৃধা,উভয় পিতাঃ নাজেম মৃধা,এদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত জামেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে সংঘর্ষে হয়,এবিষয়ে ফোরকান শরীরের বোন তাসিনুর আক্তার বলেন,আমাদের জমি মৃধা বাড়ির মানুষ জোর করে দখল করে রেখেছে অনেক বছর আমরা কাগজ পত্রে জমি দাবি করলেও তারা দেয় না আমাদের হুমকি ধামকি দেয়।আমাদের জমি আমরা ফেরতে পাওয়ার জন্য স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানিয়ে জমিতে ধানের বীজ রোপন করি গত দুইদিন আগে।এই বীজ বিবাদীরা তুলে ফেলে দিয়ে নস্ট করলে আমরা স্থানীয় শালিশ গনকে খবর দেই তারা আমাদের বাড়িতে আসে এসময় বিবাদী মৃধা বংশের সিদ্দিক বাহিনীর ২৫-৩০ জন সন্ত্রাসী লোক অস্ত্র-সস্র ও লাঠি হাতে তাদের উপর হামলা চালায় এবং আমাদের মারধর করে এমনকি ঘরে ঢুকে ভাংচুর করে নগত ৭ লক্ষ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্নলংকার লুট করে নিয়ে যায়।হামলা কারীদের নাম, সিদ্দিক মৃধা, জাহাঙ্গীর মৃধা,আল-আমিন তালুকদা, পিতাঃমোজাম্মেল তালুকদার, আলী মৃধা,শাহআলম মৃধা,রহিম মৃধা, বারেক মৃধা,দুলাল মৃধা সহ আরো ২০-২৫ জন সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে প্রধান বিবাদী সিদ্দিক মৃধার নেতৃত্বে পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে এ হামলা চালানো হয় এতেআহত হয়েছে,তাসিনুর,সোনিয়া,আকলিমা, রাহিমা,পিয়ারা,সালেহা,আরিফ ফোরকান, জাফর সিকদার,বাবুল সিকদার জসিম।হামলাকারীর নামে বিগত দিনে থানায় অস্ত্র মামলাও রয়েছে বলে জানায় তারা।এসময় জীবন বাচাতে শালিশীর লোকজন ঘরে ঢুকে আশ্রয় নেয়।এই সুযোগে তাদের তিনটি মটর সাইকেল ভাংচুর করে পরে পুলিশ এসে মটর সাইকেল ভাংচুর করতে দেখে দুজনকে আটক করে আবার তাৎক্ষণিক ভাবে ছেরেও দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।এরপর পুলিশ শালিসীর লোক ৩ জনকে উদ্ধার করে এবং অন্য পক্ষের ও দুজন সহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করে,ভাংচুর হওয়া মটর সাইকেল তিনটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।এবং তাদের নামে মামলা হয়েছে অথচ আমারা মামলা করতে চাইলেও মামলা নেয়নি থানায়।এব্যাপারে বিবাদী সিদ্দিক মৃধার কাছে জানতে চাইলে,তিনি বলেন আমাদের বাড়িতে গিয়ে তারা আমাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন সময় ফোরকান শরীফ অন্য লোকজন দিয়ে ভয়ভীতি দেখায় আমরাও তিনজন আহত হয়েছি বর্তমানে সদর হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছি।আমাদের দুজনকে ও পুলিশ আটক করেছিল তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
এবিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের অনুপস্থিতিতে মামলার আয়্যু এস,আই হাসান বশির এর সাথে মুঠোফোনে আলাপ করলে তিনি প্রতিবেদ,কে জানায় এবিষয় থানায় ৮ জনকে আসামি করে মামলা রুজু হলে আটকৃত তিনজন আসামিকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

Leave a Comment