ঝালকাঠি-ঢাকা লঞ্চ রুট ঈদে বেপরোয়া কেবিন সিন্ডিকেট জিম্মি যাত্রীরা

Spread the love

ঝালকাঠি-ঢাকা লঞ্চ রুট ঈদে বেপরোয়া
কেবিন সিন্ডিকেট জিম্মি যাত্রীরা

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
কোরবানীকে কেন্দ্র করে ঝালকাঠি- ঢাকা রুটে লঞ্চের কেবিন সিন্ডিকেট এখন বেপরোয়া। ১৫ দিন আগে থেকেই ঝালকাঠি থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন -১২ এবং ফারহান-৭ লঞ্চে কোন কেবিন পাওয়া যাচ্ছেনা। ঢাকা থেকে ঝালকাঠি গামী যাত্রীরা গত এক সপ্তাহ আগে কেবিনের জন্য দেন দরবার করেও কোন কেবিন পাননি। বিভিন্ন কোটা জালে আটকা পড়ে আছে সব কেবিন। প্রশাসন কোটা, রাজনৈতিক নেতা কোটা, জনপ্রতিনিধি কোটসহ নানা কোটার অজুহাতে সাধারন যাত্রীদের ফিরিয়ে দিচ্ছে লঞ্চের ষ্টাফরা। অথচ লঞ্চে তাৎক্ষনিক এসে দ্বিগুন ভাড়ায় কেবিন পেয়েছেন, এরকম ঘটনাও ঘটেছে। কেবিন সিন্ডিকেটের কারনে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা এখন ণঞ্চ মালিক ও ষ্ঠাফদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। খোজ নিয়ে জানা যায় সুন্দরবন-১২ এবং ফারহান-৭ লঞ্চের ষ্টাফ ও সুপারভাইজাররা ঈদ এলেই কেবিন বানিজ্যে মেতে ওঠেন। বৃহস্পতিবার (৮ আগষ্ট) যোগাযোগ করে ১৭ আগষ্ট পযর্ন্ত এই দুটি লঞ্চে ঢাকা ফেরার কোন কেবিন পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঢাকা থেকে ঝালকাঠিগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চে বৃহস্পতিবার এক যাত্রী পূর্বে যোযোগ করে কেবিন না পেলেও উপস্থিত মত গিয়ে ষ্টাফদের বেশি টাকার লোভ দেখালে তাকে একটি সিঙ্গেল কেবিন দেয়া হয়। ঐ যাত্রীর কাছ থেকে সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া রাখা হয় আড়াই হাজার টাকা। অথচ নির্ধারিত ভাড়া ছিলো ১ হাজার টাকা। সুন্দরবন লঞ্চে ওঠা ঐ যাত্রী বৃহস্পতিবার রাতে খোলা কাগজকে বলেন, আমি এক সপ্তাহ আগে থেকে ফোনে ও বিভিন্ন ভাবে সুন্দরবন-১২ লঞ্চে বৃহস্পতিবারের একটি কেবিনের জন্য চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে কোন কেবিন নেই। অথচ লঞ্চে ওঠার পরে ষ্টাফদের সাথে যোগাযোগ করার পরে তারা একটি সিঙ্গেল কেবিনের মূল্য হাকায় তিন হাজার টাকা। তারপরে তারা আড়াই হাজার টাকায় কেবিন দিতে রাজী হয়। 
এ ব্যাপারে সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ঝালকাঠির সুপারভাইজার আবু হানিফ খোলা কাগজকে বুহস্পতিবার বলেন, বেশি টাকা নেয়ার কথা না। তারপরেও যদি কেউ নিয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেবিন এত আগে কিভাবে সব বুকিং হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, বুকিং ছাড়াও প্রশাসন ও মালিকের জন্য কিছু কেবিন রির্জাভ থাকে। #

Leave a Comment