ঝালকাঠির হাসপাতাল ও আমাদের চাঁন কপাল।

Spread the love

ঝালকাঠির হাসপাতাল ও আমাদের চাঁন কপাল।
ডা:আবু আউয়াল মেডিকেলে রোগী দেখেন বেলা ১টার পরে।
এর পরে তার ক্লিনিক বানিজ্য। সিএস সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দৃষ্টি আকর্ষনসহ ব্যবস্থা কর্তব্যে অবহেলা।আর তাকে আরো মার্জিত হওয়ার আহব্বান।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের অনিয়মের মধ্যে একজন ডাক্তার মেডিসিন কনসাল্টটেন্ট আবু আউয়াল।
জেলা প্রশাসকের কাছে ঝালকাঠি মেডিকেল ডাক্তারদের ব্যাপারে বিভিন্ন ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছি। এবং তাদের মেডিকেলে প্রবেশ ও রুগি দেখার সময় গুলো সরকারের বিধি অনুযায়ী নজরদারী করারও অনুরোধ রইলো।
বহুদিন থেকে ঝালকাঠি মেডিকেলের দূর্নিতী চরমে অবহেলায় পৌছে গিয়েছে।
আর কিছু ডাক্তারের ব্যবহার নিম্ন শ্রেনীর মনেহয় অজপাড়াগাও থেকে গোবরে পদ্মফুল হয়ে পঁচাবাসি কথার গন্ধ ছড়াচ্ছে। কারণ ব্যবহারে বংশের পরিচয়।হোক সে যও বড় ডাক্তার।

ডাক্তোরের কাছে একটা পরামর্শের জন্য যাওয়ায় দেখা গেল অনেক রোগীর ভীর। জিজ্ঞেস করলাম রোগীদের ঘটনা কি সকাল থেকে যদি রোগী দেখে এত ভীড় হওয়ার কথা নয়।ডাক্তার সাব কি সকাল থেকে রোগী দেখে নাই।
রোগীরা বললো না ডাক্তার সাব সকাল থেকে না,এই বেলা ১টার পরে এসেছেন।
আমি প্রেসক্লাব সাবেক সেক্রেটারী ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট আক্কাস সিকদারকে ফোনে জিজ্ঞেস করলাম একজন ডাক্তারের মেডিকেলের এ্যাটেনডেন্স কয় ঘটিকায়। সে বললো ৯টায়। পরে ডাক্তার সাহেব সেই কথা শুনেছেন, আমাকে ডেকে বললেন কি সমস্যা আর কি হয়েছে, বললাম না,আপনি রুগি দেখেন,,,যেখানে সকাল থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রোগীরা দারিয়ে আছে , বিশেষ করে বয়স্ক নারী পুরুষ।,তাদের কাগজ ফেলে আমার কাগজ ডাক্তারের সামনে উপস্থাপন করা একটু বিবেককে বাধা দেয় এবং দিয়েছে। তাই আর ডাক্তার সাবের সামনে কাগজটা দেইনি। তারপরও ডাক্তার সাব উওেজিত। আমি বলাম আপনি প্লিজ কুল ডাউন। ডাক্তার সাব আরো বললেন আমি ঝালকাঠির ছেলে,,আপনি আমাকে কি বলতে চান।
আমিও বলেছি আমিও মনির হোসেন আমিও আপনার সন্মন্ধে অনেক কিছু বলতে চাই। এটা আপনি মনে রাখবেন। আপনি যা বলেছেন এই বিষয়ে আপনার সাথে আমার হয়ত আবারো দেখা অথবা কথা হতে পারে।

সে বললো সকাল থেকে আমি সি,এস এর রুমে মিটিং এ ব্যস্ত ছিলাম। সকাল থেকে যদি সি,এস এর সাথে মিটিং এ ব্যস্ত থাকেন এরপর কখন আপনি রুগি দেখবেন। এর পরইতো আপনি স্কয়ার ক্লিনিকে গরিব রুগিদের রেখে ৫০০/৬০০ টাকায় রোগী দেখার জন্য প্রবেশ করিবেন।তারপর আবার ক্লিনিক টেষ্ট।
ডাক্তাররা এমন একটা সময়ে মেডিকেলে আসেন সময় ক্ষেপন করে, এরপরে লাঞ্চের কথা বলে মেডিকেল থেকে বেরিয়ে যান।
আর ঝালকাঠি মেডিকেলে প্রায়ই ক্লিনিক প্রাকটিসিং ডাক্তারেরা একই অজুহাত বার বার দিচ্ছেন যে তারা মেডিকেলের ভিতরে ও সি,এস অফিসে গুরুত্বপূর্ণ জাতির স্বার্থে মিটিং এ ব্যাস্ত ছিলেন।

Leave a Comment