ঝালকাঠিতে দুটি উপজেলার বেড়িবাধ না থাকায় মানুষ আজ ভিটা মাটি হারা।

Spread the love

ঝালকাঠিতে দুটি উপজেলার বেড়িবাধ না থাকায় মানুষ আজ ভিটা মাটি হারা।
===============================================
ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলায় বিষখালী নদীর বেড়িবাধ না থাকায় শত শত পরিবার ঘর-বাড়ী, ফসলী জমি, বিজ তলা, স্কুল, কলেজ, মাদ্রসা ও ঐতিহাসিক হাট বাজার বিষখালী নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে, নেই কোন প্রশাসনের উদ্দোগ। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, বিষখালী নদীর পার্শবর্তী এলকার শত শত ঘর বাড়ী নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে যায়, এতে অনেকে গ্রীহ হারা, ভূমিহীন, বিভিন্ন কবর স্থান, ধানা জমি, বিভিন্ন ফসলী জমি, স্কুল-কলেজ, মসজিদ ইত্যাদি এসব নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়া কাঠালিয়া ও রাজাপুর বাসী আজ সর্বহারা। বর্তমানে বিষখালী নদীর প্রবল শ্রতে শত শত একর জমি-জমা ও শত শত একর আমন ধানের বিজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাজাপুর উপজেলার নাপ্তেরহাট, তেতুলবাড়িয়া, বাদুরতলা এবং কাঠালিয়া উপজেলার জাংগালীয়া, আওরাবুনিয়া, সোনার বাংলা বাজার, শৌলজালিয়া খেয়াঘাট, বড় কাঠালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইট বাটা, কাঠালিয়া সদর লঞ্চঘাট, ঐতিহাসিক আউরার বাজার গরুর হাট, টলঘর বা মাছের বাজার, চিংড়াখালী মাদ্রাসা, মশাবুনিয়া সাইক্লোন সেল্টার, হেতালবুনিয়া সাইক্লোন সেল্টার, পর্যকট কেন্দ্র ছইলার চড়, আমুয়া সিকদার পাড়া, আমুয়া স্বাস্থ্য কম্পেক্স, আমুয়া মৎসর বন্দর, গোশেরহাট, তারাবুনিয়া বাজার, তপসেরের খেয়াঘাট এসব একালার মানুষের আশার আলো এখন পর্যন্তও দেখেনি। এবিষয় ঝালকাঠির সাবেক জেলা প্রসাশক মোঃ হামিদুল হক নদী ভংঙ্গন এলাকার মানুষের খোজ খবর নিয়েছেন এবং বেড়িবাধের হওয়ার আসস্ত করেছেন। কিছুদিন আগে কাঠালিয়া উপজেলার দোগনা বাজারে ত্রান ও দূর্যোগ প্রতিমন্ত্রি ডাঃ এনামুর রহমান গত ২ জুলাই বিষখালী নদী ভাংঙ্গন এলাকার মানুষদের ২৬ কি.মি. বেড়িবাদ ও ২৪টি সাইক্লোন সেল্টার করার আসশ্বাস দেন। স্থানিয় বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্থ মোঃ কালাম সরদার “দৈনিক যায়যায়দিন” কে বলেন আমাদের ঘর-বাড়ী প্রতিনিয়ত নদী ভাঙ্গনের কবলে চলে যায় এবং নদীর প্রবল শ্রতে আমাদের পূর্ব পুরুষের ভিটা মাটি নিয়া যায় তবে আমি মাননিয় প্রধান মন্ত্রির কাছে আকুল আবেদন জানাই যাতে এই নদীতে ভাংঙ্গন রোধ করা হয় এবং আমাদের যেন প্রতিনিয়ত ঘর হারা না হতে হয়।

Leave a Comment