কিশোরগঞ্জের ঈদ মার্কেটে উপচে পড়া ভীড় ॥ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

Spread the love


কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জে ঈদের আগে মার্কেট খোলার প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে মানুষের ঢল নেমেছে। শহরের বড় বড় মার্কেটগুলোতে লোক দেখানো স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টা করা হলেও ছোট মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছে না। এছাড়া সামাজিক দূরত্বও মানছে না কেউ, এমন পরিস্থিতিতে শহরে অটোরিকশা প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শহরের মূল মার্কেটে প্রবেশের গলিতে বাঁশ বেধে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। পায়ে হেঁটে কেনাকাটা করতে হচ্ছে সবাইকে। গত ১০ মে সরকারি নির্দেশনার পর দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত হলে কিশোরগঞ্জে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। এ পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় গত ১৩ মে থেকে সকল দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর গত মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শুধুমাত্র জামা-কাপড়, প্রসাধনী সামগ্রী ও জুতার দোকান ঈদের আগ পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। সরেজমিনে বড় বাজারের ও কাপড়পট্্িরতে দেখা গেছে ঈদ মার্কেটের এসব দোকানে স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই নেই। এতে কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনা সংক্রমন বাড়ার আশংকা করছেন বিজ্ঞজনরা। এদিকে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আবারো বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত তিন দিনে সনাক্ত হয়েছেন ৪২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ১৯ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে, এদের মধ্যে বাজিতপুর উপজেলার একই পরিবারের ৯ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত ২৫৩ জন। নতুন শনাক্তদের মধ্যে বাজিতপুর উপজেলায় ৮ জন, কিশোরগঞ্জ সদর ২ জন, করিমগঞ্জ ৩ জন, তাড়াইল ১ জন, পাকুন্দিয়া ২ জন, কটিয়াদী ২ জন ও ভৈরব ১ জন। আর এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮৩ ও মৃত্যু ৭ জন। বুধবার (২০ মে) সকালে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা: মো. মুজিবুর রহমান এসব তথ্য জানান। গত ১৬ মে ১১৬ জনের নমুনার মধ্যে নতুন ১৯ জনের পজেটিভ ও ৯৫ জনের নেগেটিভ এসেছে। কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা ২৫, হোসেনপুর ৭, করিমগঞ্জ ২৩, তাড়াইল ৩৩, পাকুন্দিয়া ৬, কটিয়াদী ১৬, কুলিয়ারচর ১১, ভৈরব ৭২, নিকলী ৫, বাজিতপুর ১৭, ইটনা ১১, মিঠামইন ২৪ ও অষ্টগ্রাম ৩ জন।

Leave a Comment