ঈদে নতুন জামা চেয়ে এতিম বাচ্চাদের আকুতি!

Spread the love

ডেস্ক রিপোটঃ আমাদের মা বাবা দুনিয়াতে নেই তাই বলে কি আমাদের ঈদ নেই! তাই বলে কি ঈদে আমরা নতুন জামা পরবো না? ঈদে তো সবাই নতুন জামা পরবে আমরা এতিম বলে কি নতুন জামা পরতে পারবো না?

কথা গুলো বলতে বলতে চোখের দু কোনা বেয়ে টপ টপ করে পানি পড়ছিল ভাঙ্গামোড় নুরানিয়া হাফিজিয়া ও এতিমখানার কোরআনের শিক্ষা নিতে আসা ছোট শিশু আল-আমীনের।

এই এতিমখানার ছোট এক শিশু রাজু এ প্রতিবেদকে ক্ষোভের সাথে বলেন, ঈদে নতুন জামা না পেলে আমি ঈদের নামায পড়তেই যাবোনা। একই আক্ষেপ এই এতিমখানায় পড়তে আসা অন্য বাচ্চাদেরও। ঈদ যত কাছে আসছে ততই যেনো নতুন জামা না পাওয়ার ব্যাপারটা তত সামনে আসছে।

এই এতিমখানায় গত রমজানে দেয়া পাঞ্জাবী এখনও পড়ছেন প্রায় অনেক বাচ্চাই। বলছি কুড়িগ্রামের নাগেশ^রী উপজেলার ভাঙ্গামোড় নুরানিয়া হাফিজিয়া ও এতিমখানার কথা। এই এতিমখানায় ৮৬ জন বাচ্চা কোরআনে হাফেজ হতে এসছেন। এদের প্রায় বেশির ভাগই এতিম।

এই এতিমখানায় থেকে খেয়ে তারা পবিত্র কোরআনের শিক্ষা নিচ্ছে। এই বাচ্চাগুলোর ১ টি পাঞ্জাবী হলেই প্রায় ১ বছর কেটে যায়। এই এতিমখানায় থাকা বাচ্চারা ঈদে নতুন জামার জন্য সমাজের হৃদয়বান ও বৃত্তবানদের দারস্থ হয়েছেন। তারা সমাজের হৃদয়বান ও বৃত্তবানদের কাছে ১ টি করে পাঞ্জাবী চান।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: আমি নিজে এতিমখানাটির দেখাশুনা করি ও সব ব্যাবস্থাপনা করি। এছাড়া এতিমদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি। বর্তমানে এতিমখানায় ৮৬ জন বাচ্চা আছে। এই ৮৬ জন বাচ্চা এতিমখানায় থেকে পবিত্র কোরআনের আলোয় আলোকিত হচ্ছেন। এদের তেমন কোন চাওয়া পাওয়া নেই। এদের বছরে ১ টি পাঞ্জাবী হলেই চলে।

আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি ১ টি মোটামুটি ভালো মানের পাঞ্জাবী তৈরি করতে কাপড় ও কাটা খরচ মিলে ৭৫০ টাকার প্রয়োজন। তাই আমি সকলের কাছে বিনীত আহ্বান করবো ” আসুন এই এতিমদের অভিভাবকহীন না ভেবে নিজের সন্তানের মতো মনে করে এই ঈদে একটি করে নতুন পাঞ্জাবীর ব্যাবস্থা করে দেই।

আপনার দেয়া পাঞ্জাবী পড়ে শুধু ঈদের নামায নয় ঈদের পরেও প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাযেই এই এতিমরা আপনার জন্য কোমলমতী দুটো হাত তুলে আপনার জন্য মহান আল্লাহপাকের দরবারে দোয়া করবে ইনশাআল্লাহ।

সহযোগিতা পাঠাতে এতিখানার একাউন্ট নম্বর: ০২০০০১৩০৯৮৯৯২ হিসাবের নাম: ভাঙ্গামোড় নুরানিয়া হাফিজিয়া ও এতিমখানা, শাখার নাম: ভিতরবন্দ হাট শাখা, ব্যাংকের নাম: অগ্রণী ব্যাংক লি: নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।

 

Leave a Comment