আত্মহ`ত্যার আগে বউ-শাশুড়ির উদ্দেশ্যে যা লিখলেন পুলিশের নায়েক কুদ্দুস

Spread the love

ডেস্ক রিপোর্ট:

আত্মহ-ত্যা-র আগে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পুলিশের নায়েক শাহ মো. আবদুল কুদ্দুস।

নিজের মৃ-ত্যু-র জন্য কাউকে দায়ী না করলে স্ত্রী ও শাশুড়িকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন কথা লিখেছেন ওই স্ট্যাটাসে।

বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশ লাইনে আবদুল কুদ্দুস নিজের রাইফেল দিয়ে আত্মহ-ত্যা করেন।
আত্মঘা-তী শাহ মো. আবদুল কুদ্দুস মিরপুর-১৪ নম্বর পুলিশলাইনে নায়েক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জের রসুলপুরে। বাবার নাম শাহ মো. আবদুল ওয়াহাব (মৃ-ত)।পুলিশ জানায়, আব্দুল কুদ্দুস আজ ভোরে ডিউটিতে যাওয়ার সময় তার নিজের অ-স্ত্র দিয়ে আত্নহ-ত্যা করেন।

ভোর সোয়া ৫টার দিকে তিনিঅ-স্ত্রগার থেকে অ-স্ত্র নিয়ে ডিউটির জন্য বের হন। পরে পুলিশ লাইনের মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে আত্মহ-ত্যা করেন।
মৃ-ত্যু-র আগে ওই পুলিশ সদস্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। ওই স্ট্যাটাসে নিজের মৃ-ত্যু-র জন্য কাউকে দায়ী না করলেও স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে বিভিন্ন কথা লিখেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, পারিবারিক কলহের কারণে মানসিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন কুদ্দুস। মৃ-ত্যু-র আগে তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমার মৃ-ত্যু-র জন্য কাউকে দায়ী করব না।

আমার ভেতরের য-ন্ত্রণাগুলো বড় হয়ে গেছে,আমি আর সহ্য করতে পারছি না। প্রা-ণটা পালাই পালাই করছে…।
তবে অবিবাহিতগণের প্রতি আমার আকুল আবেদন, আপনারা পাত্রী পছন্দ করার আগে পাত্রীর মা ভালো কিনা তা আগে খবর নেবেন।

কারণ, পাত্রীর মা ভালো না হলে পাত্রী কখনোই ভালো হবে না। ফলে আপনার সংসারটা হবে দোজখের মতো।

সুতরাং সকল সম্মানিত অভিভাবকগণের প্রতি আমার শেষ অনুরোধ, বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ হাফেজ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, উত্তর বিভাগ (এসটিএফ), মিরপুর-১৪, ঢাকা।’

Leave a Comment